বরিশালে করোনার ভয়াবহতা, একদিনে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড

News News

Desk

প্রকাশিত: ৬:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২১

খান ইমরানঃ বরিশাল বিভাগে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, ভাঙছে একের পর এক পেছনের রেকর্ড। দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

এর মধ্যে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১৯ জন এবং করোনায় তিনজন মারা গেছেন। এ সময়ে ৫৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আরটিপিসিআর ল্যাবে শনাক্তের হার ৬৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

সোমবার (১২ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এছাড়া বরিশাল বিভাগে নতুন করে ৫৭৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এ সর্বোচ্চ ৭১০ জন। এদিকে সর্বশেষ আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২২ হাজার ৬৮৪ জন।
একই সময়ে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসাপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গেলো ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে বরগুনায় ২ জন ও ঝালকাঠিতে ১ জনসহ মোট ৩ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, মোট আক্রান্ত ২২ হাজার ৬৮৪ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৯৩৮ জন।

আক্রান্ত সংখ্যায় বরিশাল জেলায় নতুন সর্বোচ্চ ২১৬ জন নিয়ে মোট ৯ হাজার ৬১২ জন, পটুয়াখালী জেলায় নতুন ৪৯ জন নিয়ে মোট ২৮৯২ জন, ভোলা জেলায় নতুন ৩৭ জনসহ মোট ২২৯৩ জন, পিরোজপুর জেলায় নতুন ৯৪ জন নিয়ে মোট ৩১৯৭ জন, বরগুনা জেলায় নতুন ৬৬ জন নিয়ে মোট আক্রান্ত ১৯০৩ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন ১১৩ জন শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৮৭ জন।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র বরিশাল শেবাচিম হাসাপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

যা নিয়ে শুধুমাত্র শেবাচিম হাসপাতালেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩১ জন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ৬১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা ৬১৩ জনের মধ্যে ২৩ জনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনো হাতে পাওয়া যায়নি।