অনলাইন প্রতারণার শিকার বরিশালের এক কিশোর!

অনলাইন প্রতারণার শিকার বরিশালের এক কিশোর!

News News

Desk

প্রকাশিত: ১১:২৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২১

সৈয়দ নাঈমঃ অনলাইনে পণ্য কিনতে গিয়ে শুধু গ্রাহক নন, প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ নানান পেশাজীবি মানুষ,তবে এতে বেশি বিপাকে পড়েন সোসাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত থাকা কিশোর কিশোরীরা।

পণ্যের ডেলিভারি চার্জ কিংবা অগ্রিম টাকা পরিশোধ করার পর পণ্য সরবরাহ না করার মত ঘটনা ঘটছে অহরহ।

অনেক সময় গছিয়ে দেয়া হচ্ছে নকল পণ্য। আইন সংস্থাদের সতর্কতার কথা থাকলেও অনলাইনে চোখ ধাধাণো বিজ্ঞাপন দেখে যাচাই বাছাই না করেই পণ্য ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেন কিছু কিছু গ্রাহকরা।

এমন ঘটনা ঘটে বরিশাল নিউ ভাটিখানা শাহজাহান মিয়ার গলির স্থানীয় বাসিন্দা এক সংবাদকর্মী সুমনের ছেলে তাওহীদ রহমান গালিবের সাথে।

তার বয়স আনুমানিক ১৫ বছর, সে হেফজ খানায় পড়াশোনা করে বর্তমানে লুৎফর রহমান ক্যাডেট মাদ্রাসার ৮ ম শ্রেণির ছাত্র।

ছবিঃ বিজয়ের বাংলাদেশ 

ভুয়া ‘Online Mobile Marketplus’ নামে একটি ফেজবুক পেইজে বেশ কিছু মোবাইলের ছবি সহ পন্যটির দাম আপলোড করা আছে, যে কেউ দেখলে অবিশ্বাসের কারণ নেই বললেই চলে, ওখান থেকে তাওহীদ রহমান গালিবের আইফোন ১১ প্রো একটি পন্য পছন্দ হয়ে যায়, পরে সে পন্যটি অর্ডারের জন্য পেইজে থাকা

+880 1729-481018 এই নাম্বারে কথা বললে অর্ডার কনফার্ম করার জন্য ৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে বলা হয়, সে বিশ্বাস করে তার বাবাকে না জানিয়ে মায়ের কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে ৪ জুলাই রবিবার সকাল ১০.৪৪ মিনিটে তাদের পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার+880 1729-481018 এই নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে দেন।

৬ ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার পরে প্রতারক ব্যাক্তিকে কল দিলে বাকি ৪০০০ টাকা চায়, বুঝবান বালক আইফোন ১১ প্রো পাওয়ার আশায় অবুঝ বালককের মতো বিকাল ৫.৪২ মিনিটে বাবার কষ্টের টাকাগুলো পাঠিয়ে দেন তার দেয়া সেই পার্সোনাল বিকাশ নাম্বারে।

৮ ঘন্টার মধ্যে ডেলিভারি আসবার কথা থাকলেও ৩ দিনেও মিলেনি তওহীদের সেই সপ্নের মোবাইলটি।

এ-বিষয় তাওহীদের বাবা সুমন জানতে পারলে মঙ্গলবার রাত ৮.৩০ মিনিটে ‘বিজয়ের বাংলাদেশ’র সম্পাদক ও বরিশাল বার্তা পত্রিকার সংবাদদাতা সৈয়দ নাঈমের সাথে আলাপ করলে বরিশাল উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এর কার্যালয়ে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা ‘বিএমপি’ জনাব শেখ মোহাম্মদ সেলিম মহোদয়ের কাছে নিয়ে গেলে তাকে পরামর্শ দেন বরিশাল কাউনিয়া থানায় অভিযোগ দাখিল করার জন্য।

পরে রাত ১০.০০ ঘটিকায় অভিযোগ দাখিলের বিষয়ে কাউনিয়া থানায় গেলে অবস্থানরত ডিউটি অফিসার থানা থেকে প্রতারকের সাথে যোগাযোগ করে এবং তাকে আশ্বাস দেন পরদিন সকালে টাকা অথবা পন্য দেয়ার কথা, সকালের জন্য অপেক্ষা করেও মেলেনি তার সঞ্চয় কৃত টাকা।

অতঃপর বরিশাল কাউনিয়া থানার ওসি সাহেবের সাথে দেখা করে ৭ জুলাই বুধবার সকাল ১১.০০ টায় একটি সাধারণ ডাইরী করে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা ‘বিএমপি’ জনাব শেখ মোহাম্মদ সেলিম মহোদয়ের কাছে ডাইরীর ফটোকপি-টি দেয়া হয়, যাহার ডাইরী নং- ২৪১।

 

বিস্তারিত আরও আসছে …