বরিশাল নগরীতে অবৈধভাবে রেনু পাচার করে আসছে ইউসুফ বাবলু রিপন মাঝি!

বরিশাল নগরীতে অবৈধভাবে রেনু পাচার করে আসছে ইউসুফ বাবলু রিপন মাঝি!

News News

Desk

প্রকাশিত: ১০:০০ পূর্বাহ্ণ, জুন ৭, ২০২১

বরিশাল নগরীতে তিন হোতা ইউসুফ, বাবলু ও রিপন দীর্ঘদিন যাবত টিকে পরিবহন নামে একটি ট্রাকের মাধ্যমে অবৈধভাবে নিরবেই ব্যবহার করে আসছে চিংড়ী রেণু পাচার।

প্রশাসনের সামনেই কোস্ট ঘাটে দাপিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে রেনূ পাচারকারীর ৩ সদস্যরা।

কৌশলেই তারা হাতিয়ে নিচ্ছে বিশাল অংকের টাকা।

গোপন সুত্রে জানা যায়, আর ট্রানজিট রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে রুপাতলি ও নতুল্লাবাথ বাস স্টান্ডকে।
এখান থেকে কুয়াকাটা-পটুয়াখালী-বরিশাল-ঝালকাঠী -পিরোজপুর হয়ে বাগেরহাট সহ অবৈধ রেনূগুলো চলে যাচ্ছে খুলনায়।

চক্রটির তিন সদস্যের দুই সদস্য ইউসুফ ও তার সহকারী রিপনের মাধ্যমে বরিশাল নগরীর তালতলী বাজার ও পোর্টরোড সহ বিভিন্ন যায়গার মাছ ব্যবসায়ীদের থেকে হয়রানি করে চাদা উত্তোলন করে আসছে এ অভিযোগ পাওয়া যায়।

সুত্রমতে আরো জানা যায়,মৌসূমে প্রতি গভীর রাত ৩ টা থেকে ভোর ৬ টার মধ্যে রেনূ বোঝাই ট্রাক পাচারের ট্রানজিট পথ অতিক্রম করে।

যদিও রেনূ সংগ্রহ, সংরক্ষন পাচার সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। প্রতিবছর মার্চের শেষ দিক বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চল থেকে মশারী জালের মাধ্যেমে রেনু পোনা সংগ্রহ ও বিক্রি কাজ শুরু হয়। রেনূ সংগ্রহ ও বিক্রির কাজ চলে জুনের শেষ সময় পর্যন্ত।
প্রতিনিয়ত কয়েকশ ড্রামে রেনু ট্রাকযোগে বাগেরহাটের ফকিরহাট, বটতলা, খুলনার ফুলতলা, বড়ঘাট ও চুকনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় পাচার হয়ে আসছে। ড্রামপ্রতি কমপক্ষে বিশ হাজার রেনূপোনা থাকে বলে জানায় একাধিক সুত্র।
এসব রেনু প্রতিপিচ ৫-১০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।এ হিসেবে বরিশাল ঘাট থেকে প্রতদিন ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকার রেনু পাচার করা হয়।
এ-বিষয় বরিশাল জেলার মৎস অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস জানায়, কিছুদিন আগে বরিশাল থেকে রেনু পাচারকারী ১৯ জনকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। কিন্তু পাচার হয়ে চলে যাওয়ার পর তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায়, তবে তাৎক্ষনিক আমাদেরকে এ বিষয়ে তথ্য দিলে প্রশাসনকে নিয়ে আমরা অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করতে সক্ষম হই। পাশাপাশি আমরা এসব চক্রকারীদের নির্মূল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

 

বিস্তারিত আরও আসছে …