২২ এপ্রিল থেকে দোকান-শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবি

News News

Desk

প্রকাশিত: ১:০৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০২১

মুন্না খানঃ আগামী ২২ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রামের সব মার্কেট-শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়িরা। সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে ব্যবসায়িক নেতারা এক দাবি জানান। সম্মিলিত ব্যবসায়ি সংগঠনের ব্যানারে ব্যবসায়িরা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, করোনায় মৃত্যুহার উর্ধগতির কারণে ১৪ এপ্রিল থেকে সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেন, কিন্তু আমরা বাস্তবে দেখতে পেয়েছি, শিল্প-কারখানা, ব্যাংক , গার্মেন্টস, বাজার, বিমান চলাচলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই লকডাউনে খুলা আছে। শুধু মার্কেটগুলো, দোকানপাট ও আন্তঃজেলা পরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত পরামর্শক কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, কাঁচাবাজার, জনসমাগম স্থান, পর্যাটন এলাকা এবং ধর্মীয় উপসনালয়ে করোনাভাইরাস অতিমাত্রায় ছড়ায়। আমাদের বিশ্বাস, সাস্থ্যবিধি মেনে কলকারখানা,কাঁচাবাজার, ব্যাংক খোলা থাকতে পারে,তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ মাস রমজান ও ঈদের সময় মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার নির্দেশনা দিলে ব্যবসায়িরা কোনওমতে বেঁচে থাকার উপায় খুঁজে পাবেন। অন্যথায় সরকারের ক্রমাগত লকডাউন ঘোষণার সিদ্ধান্তে ব্যবসায়িদের আত্মহুতি দেখয়ার পথ বেঁচে নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এ সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২২ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রামের সব মার্কেট খুলে দেওয়াসহ পাঁচ দফা দাবি জানান ব্যবসায়ী নেতারা।দাবিগুলো হল- চট্টগ্রামে লাখ লাখ ব্যবসায়ী ও শ্রমিক কর্মচারীদের জীবিকার স্বার্থে স্বাভাবিক নিয়মে আগামী ২২ এপ্রিল থেকে মার্কেট খুলে দিতে হবে। দোকান পরিচালনা স্বার্থে সংশ্লিষ্ট খরচ ও কর্মচারী শ্রমিকদের বেতন বোনাস বাবদ খরচ নির্বাহের জন্য ব্যবসায়িদের সহজ শর্তে ঋণের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়িদের বাঁচিয়ে রাখতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা বৃহত্তর চট্টগ্রামের জন্য ১৫হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখতে হবে। দোকান মালিক কর্মচারীদের অগ্রাধিকার ভিওিতে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং করোনাকালীন ক্ষয়ক্ষতির কথা বিবেচনা করে সরকারি বিভিন্ন প্রকার যেমন- ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, টেক্স মওকুফ ও অতিরিক্ত ফ্রি কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনতে হবে।