চিঠি, অবন্তিকাঃ মুশফিক

News News

Desk

প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২১

অবন্তিকার চিঠির উওর..
প্রিয় পান্ডা,

হঠাৎ তোমার গাড়ো গেরুয়া রং এর একটা চিঠি এই শীত সকালে এসে পড়লো আমার আমার আঙিনায়।চৈএের ক্রান্তি লগ্নে বৈশাখ এর হিমেল হাওয়ায় সারারাত প্রবল বর্ষনের পড়ও থমথমে ভাব বিরাজ করছে।উওরের ইশান কোনে একটু মেঘ জমেছে,দুটো বুড়ো শালিক এসে বসেছে আমার আম গাছে।তিক্ততার দিন ঘনিয়ে এসেছে বুজাই গেছে তুবুও তোমার এই চিঠি এক রাশ উষ্ণতা বয়ে এনেছে। তাইতো এই চিঠির প্রতিউওর না দিয়ে পারলাম নাহ।তুমি বরাবরই বলে দিয়েছো মন খারাপের কারন জানতো চেয়ো নাহ তবুও খুব জানতে ইচ্ছে হলো কেমন আছো তুমি?আমি যে বেশ আছি তাও বলতে পারছি নাহ।ইদানিং বুকের বা পাঁজরে খুব ব্যাথা অনুভব করি, শূনতার আদল আমাকেও বেশ ভুগাচ্ছে।তাই তো বিবাগী মন আমার হয়েছে ভুগী।তাইতো শত অভিযোগের মাজে চিঠি লিখতে বসে পড়লাম।
আমি যতটুকু বুজতে পেড়েছি তোমার অন্তরিক্ষ আমার অক্ষিপটের মায়ায় পরেছে।তুমি আমাকে সত্যিই যে ভালোবাসো এটা আমি বুজতে পেরেছি।তোমার পাগলামি আর প্রতিস্থাপন একটা সময় বিরক্তিকর মনে হলেও এখন সেই বিরক্তগুলোই আমাকে শূন্যতায় ভোগাচ্ছে।
তোমাকে আমার আর অপেক্ষা করাতেও ইচ্ছে করে নাহ তবুও কিছু পেতে হলে অপেক্ষা তো করতেই হবে।ভালোবাসতে পারা সত্যিই সহজ ব্যাপার নয়।তাই ভালো না বাসাই ভালো, বড় কস্টগো ভালোবাসায়। তবুও ভালো বাসতে ইচ্ছে হয়। সকল উপমার কাব্যিক চরিএে আমার মন বিবাগী করে তুলেছে।তুবও তিক্ততায় আমাকে এতো কেন ভোগায়?তুমি মানুষটা বড্ডই ভালো, তোমাকে সত্যিই বিশ্বাস করা যায়! যে মানুষটা আমাকে এতো ভালোবাসে এতো শ্রদ্ধা করে তাকে ভালো না বেসে পারা যায়।তার এতো চিঠির ভারে এই চিঠির প্রতিউওর না দিয়ে থাকি কিভবে।তাইতো কোন এক সন্ধ্যিকোনে তোমার কোলে মাথা রেখে নৌকায় পা দোলাতে ইচ্ছে করে।আমিও চাই খোপায় আমার বেলিফুল গেঁথে দেও।
তাই তুৃমি আরেকটু অপেক্ষা করো নাহ শূন্যতার আদলে পূর্ণতার ছোয়া পেতে এতটুকু অপেক্ষা করতেই পারো।আমি আর তোমার মহাকাব্যিক চরিত্রে কাল্পনিক চরিত্র নয় আমি তোমার বাস্তবিক চরিত্রে আসতে চাই।এইটুকু সময় দেও নাহ দোষ কি তাতে প্রিয়।তোমার অবন্তীকা,এই বর্ষায় তোমার নিমন্ত্রণের অপেক্ষায় থাকবে আর ফিরাবো নাহ তোমায়।মনের বিশুদ্ধ ভালোবাসা নিয় প্রিয়।।দূর থেকে ভালোবাসার যে আনন্দ তা কাছে থেকে সেই ভালোবাসার অনুভূতিটা সহজে বোজা যায় নাহ প্রিয়।তোমার অবন্তীকা এরপর থেকে নিশ্চয়ই তোমার পাশের থাকবে।শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা।উওরে ইশান কোনে মেঘটা আরো ঘন হয়েছে, বুড়ো শালিক দুটো আম গাছ থেকে বেড়িয়ে অন্য কুটিরে কিচিরমিচির করছে।বৈরি আবহাওয়া মনে হচ্ছে থমথমে ভাব, আকাশে এখন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে মনে হচ্ছে এই প্রহরে প্রবল বর্ষন হবে। আজ বৃষ্টিতে অনেক ভিজতে ইচ্ছে করছে তাই তোমার চিঠির ইতি টানতে হচ্ছে। ইচ্ছে আছে কোন এক বর্ষা মুখর শ্রাবনে দুইজনে একসাথে ভীজিবো। সাথে ভেলপুরি আর টং এর দোকানে চা বেশ জমবে তাই নাহ বলো।তুমি তো এটাই বেশ পছন্দ করো,তোমার পছন্দগুলো আমার ভালো লাগার প্রধান উৎস।আশা করি তোমার আমার ইচ্ছে গুলো একসাথে সম্মূখপানে পথ চলতে পারলে একদিন সবকিছুর ভীরে ম্লান হয়ে যাবে।ভালো থেকো প্রিয়।❤️

 

ইতি,
তোমার অবন্তীকা
মুশফিকুর রহমান অনিক
গনিত, শিক্ষাবর্ষ (২০১৮-১৯)
পটুয়াখালী সরকারি কলেজ।