একাধিক মামলার আসামী আকরাম চক্রের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও বিচারের দাবিতে সারাদেশে মানববন্ধন

News News

Desk

প্রকাশিত: ৫:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৫, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণ, প্রতারনা সহ অসংখ্য মামলা ও জিডির আসামী গডফাদার আকরাম হোসেন বাদল চক্রের অপকর্মের নিউজ প্রকাশ করার জের ধরে জাতীয় পত্রিকা দৈনিক আজকের আলোকিত সকাল এর বিশেষ প্রতিনিধি ও ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও বিচারের দাবিতে আজ ১৫ মার্চ ২০২১ ইংরেজি তারিখ সকাল সাড়ে ১১ টার সময় ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব সহ সারাদেশে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা পানপট্রি ইউনিয়নের মোতাবেক সিকদারের বড় মেয়ে খাদিজা বেগম গত কয়েক বছর আগে আতিকুর রহমান কে ফোন করে পরিচিত হন। ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ও সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমানের গত কয়েক বছরের কার্যক্রম দেখে খাদিজা বেগমের খুব ভালো লেগেছে বলে আতিকুর রহমানের সাথে পরিচিত হন এবং মানব সেবা কার্যক্রমের অনেক প্রসংসা করেন।পরিচয়ের পর থেকেই খাদিজা বেগম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আতিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করে আসছেন এমনকি খাদিজা বেগমের ২য় স্বামী সেনা সদস্য মাজহারুল ইসলামের সাথে বড় ধরনের ঝগড়া বিবাদ সমাধান করার জন্য আতিকুর রহমানের কাছে একাধিকবার সাহায্য চেয়েছেন খাদিজা বেগম। খাদিজা বেগম ও আতিকুর রহমানের বাড়ি একই থানা ও জেলাতে হওয়ায় তাদের মধ্যে ভাই বোনের মত সম্পর্ক তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল । এমনকি আতিকুর রহমানের সাবেক স্ত্রী সাজেদা আক্তার সিমার সাথেও খাদিজা বেগম একাধিকবার কথা বলেছেন। এক কথায় আতিকুর রহমানের ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক সব বিষয়ে খাদিজা বেগম সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন।
গত ২০১৮ সালের ১০ই এপ্রিল আতিকুর রহমানের সাবেক স্ত্রী সাজেদা আক্তার সিমা চলে যাওয়ার পর খাদিজা বেগম তার আপন মামা রফিকুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে সুমাইয়া বেগমের বিবাহর প্রস্তাব আতিকুর রহমানকে বার বার দিয়ে আসছেন। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর খালি গ্রামে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়ি। এক পর্যায়ে আতিকুর রহমান খাদিজার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। খাদিজা তার মামা রফিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে আতিকুর রহমানের পরিচয় করিয়ে দেন এবং খাদিজা ও তার মা নিয়মিত আতিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করেন। এমনকি খাদিজা বেগম ও তার মা আতিকুর রহমানের ঢাকা মিরপুর ডি ব্লকের বাসায় বেড়াতে আসেন । আতিকুর রহমানও খাদিজার বাসায় বেড়াতে যান। খাদিজার বেগমের পরিবার, রফিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে আতিকুর রহমানের নিয়মিত যোগাযোগ চলে। এমনকি সুমাইয়া বেগমের সাথে আতিকুর রহমানের একাধিকবার ভিডিও ও অডিও কলেও কথা হয়েছে। এক পর্যায়ে খাদিজা বেগমের পরিবার ও রফিকুল ইসলামের পরিবার আতিকুর রহমানের ঢাকার বাসায় এনে সুমাইয়া বেগমকে বিবাহ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আতিকুর রহমান সামাজিক মর্যাদার কথা চিন্তা করে এভাবে নিজের বাসায় বিবাহ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।
গত ২০১৯ সালের ২৮শে মে আতিকুর রহমান তার পেশাগত কাজে পটুয়াখালী জেলা সদরে যান এবং বডিংয়ে অবস্থান করেন । পটুয়াখালীতে একাধিক অনুসন্ধান মূলক কাজ শেষে গত ২০১৯ সালের ২ জুলাই সকাল ১০ ঘটিকার সময় গলাচিপা থানা সদরে যান এবং ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলার কমিটির সভাপতি ইফতেখার আলম এর সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন। এমনকি বৈঠক শেষে ইফতার আলমের সাথে আতিকুর রহমান দুপুরের খাবার খান। এদিকে আতিকুর রহমানের পটুয়াখালী যাওয়ার খবর খাদিজা বেগম ও রফিকুল ইসলামের পরিবার জানতে পেরে আতিকুর রহমানকে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বার বার বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। এমনকি সুমাইয়া বেগমের বড় ভাই রিয়াজ মটর বাইক নিয়ে আতিকুর রহমানকে আনতে জান। বিশেষ অনুরোধে আতিকুর রহমান রিয়াজের মটর বাইক যোগে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে যান। রফিকুল ইসলামের বাড়ির সব লোকজন ও আত্মীয় স্বজন আতিকুর রহমানের সাথে কয়েক ঘণ্টা আলোচনা করেন। উপস্থিত সবাই সুমাইয়া বেগমকে বিবাহর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে আতিকুর রহমান রাজি হয়ে যান এবং স্থানীয় আলেম দ্বারা বিবাহর কাজ সম্পন্ন করেন।
বিবাহর পর আতিকুর রহমান কাজি দ্বারা বিবাহ রেজিস্ট্রি করতে চাইলে রফিকুল ইসলামের পরিবার বলেন, আমার মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে কিন্তু আমরা আমাদের মেয়ের ভবিষ্যতে চাকরির চিন্তা করে কয়েক বছর বয়স কমিয়ে জন্ম নিবন্ধন করেছি তাই এখন কাজী দ্বারা রেজিস্ট্রি করা সম্ভব না। পরের দিন রিয়াজের মটর বাইকে করে আতিকুর রহমান পটুয়াখালী সদরে গিয়ে তার প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে আসেন এবং ৭/৬/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত আতিকুর রহমান তার শশুর বাড়িতে অবস্থান করেন। এমনকি গত ২০১৯ সালের রমজানের ঈঁদের দিনও আতিকুর রহমান তার শশুর রফিকুল ইসলামের বাড়িতে ছিলেন।
গত ১০/৬/২০১৯ ইংরেজি তারিখ আতিকুর রহমান ও তার স্ত্রী সুমাইয়া বেগম গলাচিপা থেকে লঞ্চ যোগে ঢাকা চলে আসেন। ঢাকা আসার আগের দিন সুমাইয়া বেগমের পরিবারের লোকজন ও আত্মীয় স্বজন সবাই উপস্থিত ছিলেন। এমনকি সুমাইয়া বেগমের পরিবারের সবাই লঞ্চে উঠিয়ে দেন এবং লঞ্চগাটে সবাই মিলে দুপুরের খাবার খান এবং ছবি তুলেন। আতিকুর রহমান তার স্ত্রী সুমাইয়া বেগমের দাম্পত্য জীবন খুব ভালোই চলছিল। কিছুদিন পর খাদিজা বেগম বিবাহর পারিশ্রমিক বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন আতিকুর রহমানের কাছে। আতিকুর রহমান তা দিতে অপারোগতা প্রকাশ করিলে খাদিজা বেগম ও তার পরিবারের লোকজন আতিকুর রহমান ও তার পরিবারের লোকজনের সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করেন। এক পর্যায়ে খাদিজা বেগম বিবাহ ভেঙে দেওয়া সহ জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দিতে থাকেন বিভিন্ন মাধ্যমে। খাদিজা বেগম ও তার পরিবারের লোকজন আতিকুর রহমানের শশুরের পরিবারের সবাইকে আতিকুর রহমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কথাবার্তা বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে আতিকুর রহমানের শ