সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

News News

Desk

প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১
মোঃ সাইমুন ইসলাম, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী মোঃ শাহাবুদ্দিন ও তার বাবার উপর মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলাপাড়া শেখ কামাল সেতুর উত্তর পাশে কুয়াকাটা টু ঢাকা মহাসড়কে ২১/০১/২০২১ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকা ঘণ্টাব্যাপী এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত হয় বক্তব্য রাখেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ হিউম্যান রাইস এন্ড প্রেস সোসাইটি। এছাড়া সংস্থার কলাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ জুয়েল হোসাইন, সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন খান, সাংবাদিক মোঃ আল আমিন, সাংবাদিক মোঃনাজমুল হোসাইন, সাংবাদিক মোঃ সাইমুন ইসলাম, সাংবাদিক নাঈমুর রহমান, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম কুয়াকাটা প্রতিনিধি সহ কলাপাড়ার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও মানবাধিকার কর্মীরা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত বক্তারা বলেন সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আনীত মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। শাহাবুদ্দিন একজন মানবাধিকার কর্মী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহলের পরামর্শে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।অনতিবিলম্বে মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এসময় ভক্তিগীতি মোঃ শাহাবুদ্দিন বলেন, আমাদের সাথে একই এলাকার বাহাউদ্দীনের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। আমি কলাপাড়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করি। মামলা নং- ৫২১/২০২০ মামলাটি পিবিআই পটুয়াখালী তদন্তাধীন আছে। এরই প্রেক্ষিতে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা হয়রানিমূলক কাউন্টার মামলা দায়ের করে কলাপাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে । যার মামলা নং – ৭৫/২১ সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাহাউদ্দীনের আনীত অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। তিনি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক কাউন্টার মামলা দিয়ে। শাহাবুদ্দিনের পরিবারকে হয়রানি করে যাচ্ছে। শাহাবুদ্দিনের এ বছর ৪০ শতাংশ জমি অনাবাদি। চাঁদার টাকা না দিতে পারায় জমি চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদকর্মী গান মুঠোফোনে বাহাউদ্দীনের নিকট জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীদের নিকট কোন কিছু বলতে রাজি হয়নি।