কলাপাড়ায় প্রকৃত ভূমি মালিক কে ভূমিদস্যুদের হয়রানীর অভিযোগ

News News

Desk

প্রকাশিত: ১০:৫৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২১

মোঃ সাইমুন ইসলাম, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

কলাপাড়া উপজেলার ১০ নং বালিয়াতলী ইউনিয়নের পক্ষিয়াপাড়া গ্রামের হাজী মোঃ হাতেম আলী হাওলাদার এর দখলীয় ও রেকর্ডীয় ভূমি মালিককে হয়রানী করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী হাজী মোঃ হাতেম আলী হাওলাদার বলেন, সাবেক জেলা বাখেরগঞ্জ হালে-পটুয়াখালী স্টেশন সাব রেজিঃ অফিস খেপুপাড়া অধীনে ৩৮ নং জে এল সোনাপাড়া মৌজার আর এস ১৪৫ তথা এস এ ৩১ নং খতিয়ানে মোট জমির পরিমান ৬৬.১৫ একর, সেখান থেকে ১০.৩০৮৪ একর জমির খরিদিও মালিক। এস এ ৩৪ নং খতিয়ানে মোট জমি ৯.৬৯ একর জমি, সেখান থেকে খরিদিও মালিক ৩. ৯১১৬ একর জমি। যা খরিদিও রেকর্ডীয় এবং নিজের ভোগদখলীয় ভূমি। উল্লেখিত খতিয়ানের ভূমি হাল বি আর এস জরিপে ১.৫১ একর অসুদ্ধ মতে কিছু ভূমি বাংলাদেশ সরকারের নামে এবং কিছু জমি বাংলাদেশ পানিউন্নয়ন বোর্ডের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে ভুল রেকর্ড সংশোধনের জন্য কলাপাড়া বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কলাপাড়া, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নয়াকাটা ও নির্বাহী প্রকৌশলী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালী’কে বিবাদী করে ৩৩/২০২১ নং দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করা হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে ১৭ জানুয়ারী ২০২১ইং বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে গেলে এর বাস্তব সত্যতা দেখা যায়। ভূমিহীন নয় ভূমিদস্যুতার প্রমাণ মিলে মোঃ মাহাবুব মৃধা ও মোঃ আরেফিন আকন, শাহিন সর্ব গ্রামঃ পক্ষিয়া পাড়া, জলিল, বাদল, জুলহাস, কালু, নুরু সর্ব গ্রাম সোনা পাড়া। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় মাহবুব ও আরিফিন ভূমিদস্যু ও লাঠিয়াল হিসেবে পরিচিত অতঃপর ৮ জন স্থানীয় ভূমিহীন ব্যাক্তিদের ভূমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে মর্মে বসতঘর ণির্মানের অনুমতি দিয়ে রেকর্ডীয় সম্পত্তিতে লাল নিশান টানানো হয়। কে বা কাহারা লাল নিশান টানিয়েছে আদৌ রেকর্ডীয় ভূমি মালিক হাজী মোঃ হাতেম আলী হাওলাদারকে অবহিত করেনি এবং উক্ত ফসলী ভূমি এমন ভাবে খনন করে বসত ভিটা স্থাপন করতেছে, পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি এখনই ফাটল ধরাসহ ভেঙ্গে খনন কূপে নিপতিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে, স্বত্ব ভোগদখলীয় ভূমিতে অবৈধভাবে ঘর দরজা নির্মান করা থেকে বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ১৩ জানুয়ারী অভিযোগ দায়ের করেছেন হাজী মোঃ হাতেম আলী হাওলাদার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, বহু সরকারী খাস জমি রয়েছে সেখানে রেকর্ডীয় মালিকের ভূমিতে অবৈধভাবে ঘর তোলার প্রশ্নই আসে না। অভিযোগের মাধ্যমে অবহিত হয়েছেন। বিষয়টি সঠিক ভাবে দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
দীর্ঘ বছর ধরে রাজনৈতিক ভাবে বালিয়াতলী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরোধী দলে যুক্ত থাকায় বিভিন্ন সময় নানা কৌশলে নির্যাতনের স্বীকার হতেন হাজী মোঃ হাতেম আলী হাওলাদার ও তার পরিবার। একদিকে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের অধিনস্ত, অপরদিকে নিজেদের জন-জনতা ও অর্থ গাম্ভীর্যের বিপর্যয়ের ব্যাপকতা। ভয়-ভীতি আর ভালোবাসায় হোক না কেন! একাধীকবার জনগণের প্রতিনিধি, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়াকে পুঁজি করে, এমন দূর শাসন আর নিরব ঘাতক তার পরিচয়ে অতঃপর প্রতিবেদনের কলাম কংকরের ন্যায় লিপিবদ্ধ করেছে।
কৃষক হাজী, মোঃ হাতেম আলী হাওলাদারের সাব রেজিঃ দলিল ও এস ভুক্ত বেরীবাঁধ হইতে নদীর পাড় সংযুক্ত ‘দুই’ একর ভূমি চৌমুখী ভাবে প্রায় ৪০ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম ও অর্থ ব্যায়ে বেরীবাঁধ দিয়ে ফসলি জমিতে রুপান্তরিত করে। সেখানে নদীর পাড় সংযুক্ত বিধায় সরকারী ২০ শতাংশ জমি থাকলেও চক্রান্তকারীরা হাতে না মারলেও কৌশলে উল্টো রেকর্ডী ২৭ শতাংশ জমি খাস খতিয়ানে হাল বি এস সৃস্টি করে। প্রশ্ন ! সাব রেজিঃ দলিল ও বি এস থাকা সত্ত্বেও চক্রান্তকারীদের শুধু মাত্র হাল বি এস পর্চা দিয়েই কি ! জমি পাবে? না কি সাবরেজিঃকৃত এবং সাবেক বি এস ভুক্ত মালিক জমি পাবে?

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবিরের কাছে জানতে (০১৭২৮১৯৫৩০০) নম্বর মুঠোফোনে একাধীকবার চেষ্টা করলেও ফোনটি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য লিপিবদ্ধ করা যায়নি।