বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ'র স্কাউট ও রোভার স্কাউট গ্রুপের পক্ষ থেকে র‌্যালি বের করা হয়।

প্রচার করা সত্ত্বেও, অবাধে চলছে প্লাস্টিকের ব্যবহার

News News

Desk

প্রকাশিত: ১:৪৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২০
smart

বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ’র স্কাউট ও রোভার স্কাউট গ্রুপের পক্ষ থেকে আজ সকাল ১১.০০ টার দকে র‌্যালি বের করা হয়।

মানুষ হিসেবে আমরা নিজেদেরকে শ্রেষ্ঠ দাবি করি। তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে সবকিছুই যেন আমাদের হাতের মুঠোয়। যেকোনো সমস্যা সমাধানের বুদ্ধিমত্তাই প্রমাণ করে আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব। কিন্তু এত কিছুর পরও কিছু দিক দিয়ে আমরা যেন খুবই অসহায়। পৃথিবী আর মানবসভ্যতার বয়স দিনকে দিন যত বাড়ছে, আমরা ততই কিছু অমীমাংসিত সমস্যার সম্মুখীন হয়ে চলছি, যার সমাধান বের করতে গিয়ে প্রায়শই আমাদেরকে অনেক জটিলতার বাঁধা পেরোতে হচ্ছে। বিশ্বের বড় বড় নেতৃবৃন্দ আজ নিজেদের অস্তিত্বটুকু টিকিয়ে রাখতে সবাই একসাথে হাত মেলাচ্ছেন। আর সেই প্রধান সমস্যা, যা কি না আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্নে হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে, সেটা হলো “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা”।

প্লাস্টিকের কারণে হচ্ছে নোংরাপরিবেশ

জলবায়ু পরিবর্তনের একাধিক কারণ আমাদের সামনে দন্ডায়মান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়- এসব যতটা না প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট তার থেকেও বেশি মানবসৃষ্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্লাস্টিক দূষণ। আজকের লেখায় প্লাস্টিক পদার্থ কী করে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনে বিকট প্রভাব ফেলছে সেদিকে দৃষ্টিপাত করা হবে।

দেখা যাচ্ছে পাখির পেটে প্লাস্টিক পদার্থ

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ পাখি প্লাস্টিক দূষণের শিকার হচ্ছে। এখনই এসব পরিযায়ী পাখির প্রায় ৯০% এর পাকস্থলীতেই পাওয়া যাচ্ছে প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা দাঁড়াবে ৯৯% এ, যা এসব পাখির অস্তিত্বের পথে বিরাট বড় এক বাঁধা। এ পাখিরা বাঁচার জন্য সামুদ্রিক প্রাণীদের খেয়ে থাকে। যেহেতু সমুদ্রে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ অত্যধিক হারে বেড়ে যাচ্ছে, তাই সেসব সামুদ্রিক প্রাণী গ্রহণের সাথে সাথে সেসব পাখির পাকস্থলীতেও চলে যাচ্ছে প্লাস্টিক পদার্থগুলো।