জারি হচ্ছে নতুন আইন, গুগল-ফেসবুক

News News

Desk

প্রকাশিত: ৩:২৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৭, ২০২০

টেক জায়ান্ট কোম্পানি গুগল এবং ফেসবুকের আধিপত্য কমাতে যুক্তরাজ্যে নতুন আইন জারি হচ্ছে। সামনের বছর থেকেই এই আইন কার্যকর হবে। অনলাইন দুনিয়ায় একতরফা আধিপত্য চালিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে বলে এসব প্রযুক্তি কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

কম্পিটিশন অ্যান্ড মার্কেটস অথরিটি (সিএমএ) জানিয়েছে, ২০১৯ সালে অনলাইনে বিজ্ঞাপন বাবদ ১৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ বিজ্ঞাপন ব্যয়ের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান দু’টির কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে।

নতুন আইনের আওতায় গ্রাহকদের নিজেদের তথ্যের ওপর তাদের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রদানের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো লাভবান হবে। সরকার বলছে, বড় বড় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন গণমাধ্যমগুলোকে চাপ দিতে না পারে সেটা নিশ্চিত করা হবে।

এক বিবৃতিতে ডিজিটাল সেক্রেটারি অলিভার ডাওডেন বলেন, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ একটি বিষয়ে একমত যে, স্বল্প সংখ্যক প্রযুক্তি কোম্পানির আধিপত্য বিস্তারের মনোভাব এই খাতের প্রবৃদ্ধি কমানো, উদ্ভাবনের গতি হ্রাস এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল লোকজন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, নতুন যুগের বিকাশমান প্রযুক্তিকে মুক্ত ঘোষণা করার সময় এসেছে। নতুন আইনের কারণে সবচেয়ে শক্তিশালী সংস্থাগুলোর প্রতি কি ধরনের প্রত্যাশা রয়েছে তা পরিষ্কার হবে। ফলে বিভিন্ন প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের জন্য যেসব ক্ষেত্রগুলোতে অর্থায়ন করা হয় সেগুলো কিভাবে সেবা দিচ্ছে এবং গ্রাহকদের তথ্য তারা কিভাবে ব্যবহার করছে সে বিষয়টি স্বচ্ছ হতে হবে।

গ্রাহক কোন ধরনের বিজ্ঞাপন গ্রহণ করবেন সে বিষয়ে তাদেরকে বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করবে প্রতিষ্ঠানগুেলো এবং তাদের গ্রাহকদের উপর কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ থেকে তারা দূরে থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকদেরকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্লাটফর্মগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা সহজ হবে।

সিএমএর একটি নতুন ইউনিট এই নতুন আইন কার্যকর করবে। প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত স্থগিত, অবরোধ এবং পাল্টে দেওয়া এবং অমান্য করার জন্য আর্থিক জরিমানা আরোপে ডিজিটাল মার্কেট ইউনিটকে ক্ষমতা দেওয়া হবে। এর আগে গুগল এবং ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, ব্রিটিশ সরকার এবং ডিজিটাল বিজ্ঞানের নীতি নির্ধারণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।