সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের অভিযান, ৪ জনের আত্মসমর্পণ

News News

Desk

প্রকাশিত: ১১:০৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০২০
এসএমএ কামাল পারভেজ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের পৌর সদরের শেরখালীর উকিলপাড়ায় ফজলুল হক মাস্টারের বাড়ি ঘিরে ফেলে র‌্যাব-১২’র অব্যাহত অভিযানে ৪ জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে।

আজ শুক্রবার (২০ নভেম্বর’২০ইং) ভোর ৫টা থেকে ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলে অভিযানের প্রস্তুতি নেয় র‌্যাব-১২।

বিষয়টি গণমাধ্যম কে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২’র সিরাজগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার (এএসপি) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ।

র‌্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বিশেষ অভিযানে রাজশাহী থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটককৃত কয়েকজনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহজাদপুরের ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে র‌্যাব। বাড়িটিতে একাধিক জঙ্গির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে ঘিরে রাখা বাড়ির আশপাশের লোকজন কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়।

ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে আমরা ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলে বিশেষ নজরদারি জোরদার করি। হঠাৎ ওই বাড়িটির ভিতর থেকে বিকট শব্দে ফায়ার হয়।

র‌্যাব-১২’র সাড়াশি অভিযানে ৪ জঙ্গি বাড়ির ভিতর থেকে বেড়িয়ে এসে আত্মসমর্পণ করে।
র‌্যাব-১২’র মিডিয়া অফিসার (সহকারী পুলিশ সুপার) মহিউদ্দিন মিরাজ বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যম কে জানান, শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার সময় ওই বাড়ির ভিতর থেকে বের হয়ে ৪ জন আত্মসমর্পণ করেন। এদের মধ্যে একজনের নাম কিরণ। তিনি জেএমবির পাবনা-সিরাজগঞ্জের আঞ্চলিক প্রধান।

এর আগে র‍্যাব-১২’র মিডিয়া অফিসার (এএসপি) মোঃ মহিউদ্দিন মিরাজ ও স্থানীয় লোকজন বিজয়ের বাংলাদেশ কে জানান, শিক্ষক ফজলুল হকের বাড়িতে দীর্ঘ দিন ধরে একজন নারী ভাড়াটিয়া বসবাস করছিলেন। হঠাৎ গত কয়েক মাস আগে বগুড়া থকে ২ জন অপরিচিত লোক এসে এখানে বসবাস শুরু করে। তাদের সন্দেহজনক গতি-বিধি এবং রাজশাহীতে আটককৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব আজ শুক্রবার ভোর রাতে পুরো উকিলপাড়া ঘিরে ফেলে এবং ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অভিযান শুরু করে। গোলালাগুলির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে স্থানীয়দের। উৎসুক জনতাও অবস্থান নেয় বাড়িটির আশেপাশে।

র্যাব-১২’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযান শেষ হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।